প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আপনারা দেখলেন তো! আল্লাহ্ তাআলার কারো অণু পরিমাণ নেকীও নষ্ট করেন না। দেখতে যতই সামান্য বস্তু মনে হোক না কেন তা আল্লাহ্ তাআলার পথে দান করতে লজ্জা করা উচিত নয়। উম্মুল মুমিনীন হযরত সায়্যিদাতুনা আয়েশাসিদ্দীকা (رضي الله عنه) َا একবার ভিক্ষুককে একটি আঙ্গুরের দানা দান করলেন। কেউ দেখে অবাক হলে বললেন: এ (আঙ্গুর) থেকেতো অনেক ক্ষুদ্রাংশ বের হতে পারে।যেহেতু আল্লাহ্ তাআলা বলেন:
فمن يعمل مثق ل ذرة خيرا يره
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: সুতরাং সে অণু পরিমাণ সৎকাজ করবে, সে তা দেখতে পাবে। (পারা-৩০, সূরা-যিলযাল, আয়াত-৭)
আল্লাহ্ তাআলার সন্তুষ্টির জন্য ক্ষুধার্ত ব্যক্তিকে মালীদা (ঘি ও চিনিতে পূর্ণ রুটি) অথবা যেকোন হালাল (পবিত্র) খাবার খাওয়ানো অনেক বড় সাওয়াবের কাজ। যেমন- ছরকারে নামদার, মদীনার তাজেদার, রহমতের ভান্ডার, রাসুলদের সরদার (ﷺ) ইরশাদ করেছেন: “যে ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ালো, শেষ পর্যন্ত সে পরিতৃপ্ত হয়ে গেল, তাহলে তাকে (অর্থাৎ- যে খাইয়েছেন তাকে) আল্লাহ্ আরশের ছায়ায় জায়গা দান করবেন।” (মুকারামুল আখলাক লিত তাবারানী, ২৭২ পৃষ্ঠা)।
_______________
কিতাব : ফয়যানে সুন্নাত
লেখক : আমীরে আহলে সুন্নাত মাওলানা মুহাম্মদ বিলাল মুহাম্মদ ইলইয়াস আত্তার কাদেরী রযবীয়া (দা.)
সূত্রঃ 🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan
إرسال تعليق