ঐশী করুণা ও আশীর্বাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কেন জরুরি?

ঐশী করুণা ও আশীর্বাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কেন জরুরি?

সর্বশক্তিমান আল্লাহতা’লা যে নেয়ামত/আশীর্বাদ বর্ষণ করেন, তার প্রতি কারো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা গোলামি বা খেদমতগারির একটি চিহ্ন। ক্বুরআন মজীদে খোদায়ী রহমত-বরকতপ্রাপ্তির প্রতি শুকরিয়া আদায়ের প্রয়োজনীয়তা সংক্রান্ত আরেকটি হেকমত তথা সূক্ষ্ম জ্ঞান বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহতা’লা এরশাদ ফরমান:

“যদি তোমরা কৃতজ্ঞ হও, তবে আমি তোমাদেরকে আরো অধিক (নেয়ামত) দেবো, এবং যদি অকৃতজ্ঞ হও, তবে আমার শাস্তি কঠোর।” [আল-ক্বুরআন, ১৪:৭]

ওপরে উল্লেখিত আয়াতে করীমা অনুযায়ী, খোদায়ী কোনো আশীর্বাদপ্রাপ্তিতে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আরো অধিক নেয়ামত লাভের মাধ্যমবিশেষ। অর্থাৎ, বান্দা শোকরগুজার তথা কৃতজ্ঞ হলে আল্লাহতা’লা আরো আশীর্বাদ বর্ষণ করেন। তবে অকৃতজ্ঞতা এমন-ই ঘৃণিত এক কর্ম যে, আল্লাহতা’লা এর দায়ে দুষ্ট কৃতঘ্ন ব্যক্তিকে চরম শাস্তি দেবেন বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। এই কারণেই অন্যান্য ঐশী দানের যোগ্য হওয়ার খাতিরে মহানবী (ﷺ)-এর ধরাধামে শুভাগমনে আল্লাহতা’লার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা প্রত্যেকের জন্যে একান্তভাবে জরুরি।

__________________

মওলিদুন্নবী (ﷺ)-এর উদযাপন ও অনুমতি (১ম খণ্ড)

মূল: শায়খুল ইসলাম ড: মুহাম্মদ তাহিরুল কাদেরী

অনুবাদ: কাজী সাইফুদ্দীন হোসেন

 🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan]


Post a Comment

أحدث أقدم