‘এয়াওমে আশুরা’ (মহররমের ১০ তারিখ) পালনের দলিল
সবচেয়ে সম্মানিত পয়গম্বর হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম হলেন আল্লাহতা’লার ফযল (অনুগ্রহ) ও রাহমা (করুণা); মানবজাতির প্রতি তিনি-ই আল্লাহ পাকের সর্বশ্রেষ্ঠ দয়াশীলতার নিদর্শন। তাই সেরা এই আশীর্বাদের জন্যে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা এ উম্মতের জন্যে এক বাধ্যবাধকতা বটে। সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক তাদেরকেই ভালোবাসেন, যারা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ, আর পালিত এ রীতিটি পয়গম্বর (আলাইহিমুস্ সালাম)-বৃন্দের সুন্নাহ-ও।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বহু পন্থা রয়েছে: ব্যক্তিগত পর্যায়ে কেউ আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারেন নফল এবাদত-বন্দেগী ও দান-সদকাহ করে; কিন্তু সম্প্রদায়গত পর্যায়ে, যেখানে (আল্লাহর) কোনো নেয়ামত একটি জাতির প্রতি বর্ষিত হয়েছে, সেখানে সামষ্টিকভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত। যেহেতু প্রিয়নবী (ﷺ)-এর বেলাদত শরীফ ও রাসূল হিসেবে তাঁর প্রেরণ সমগ্র মানবজাতির উদ্দেশ্যেই হয়েছে, সেহেতু এই ব্যাপক আকারের আশীর্বাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ সমষ্টিগত পর্যায়ে করাটা একান্ত জরুরি। আর সম্প্রদায়গত প্রকৃতির যে কোনো কাজ, সেই সমাজের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ভিত্তিতেই হবে।
মহানবী (ﷺ)-এর মীলাদ দিবস সংস্কৃতিগত ভিত্তিতে উদযাপন করা হয়, ঈদ উৎসবের মতোই। এই শুভক্ষণ পালন পূর্ববর্তী জাতিগুলোর আচরিত কৃতজ্ঞতা প্রকাশের আমলের ওপর দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত এবং তা প্রমাণিত-ও। নিম্নে ‘এয়াওমে আশূরা’-সম্পর্কিত হাদীসগুলো বর্ণনা করা হলো, যেগুলো মওলিদুন্নবী (ﷺ) উদযাপনের বৈধতা বা অনুমতি প্রমাণের পক্ষে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
__________________
মওলিদুন্নবী (ﷺ)-এর উদযাপন ও অনুমতি (১ম খণ্ড)
মূল: শায়খুল ইসলাম ড: মুহাম্মদ তাহিরুল কাদেরী
অনুবাদ: কাজী সাইফুদ্দীন হোসেন
🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan]
إرسال تعليق