মুসাফিরের নামায


যে কোন ব্যক্তি শরীয়তের হুকুম মোতাবেক মুসাফির হিসাবে গণ্য হলে সে ব্যক্তি যোহর, আছর এবং এশারের ফরয নামায দুই রাকাত আদায় করবে। আর সুন্নাত নামাযের হুকুম হচ্ছে যদি সময়ের সংকীর্ণতা হয় তবে ফজরের সুন্নাত ব্যতীত অন্যান্য সুন্নাত নামায ছেড়ে দেওয়া দুরস্ত। এমতাবস্থায় সুন্নাত ছেড়ে দেওয়ার কারণে গুনাহ হবে না। আর যদি সময় সংকীর্ণতা না হয় এবং নিজ সফর সঙ্গীগণ চলে যাওয়ার ভয় না হয় তাহলে সুন্নাত ছেড়ে না দিবে, বরং আদায় করে নিবে। উল্লেখ্য যে, সফর অবস্থায় সুন্নাত নামায পরিপূর্ণভাবে আদায় করবে, এতে কমও নেই কসরও নেই। ফজর ও মাগরিবের ফরয এবং বিতর নামাযের মধ্যে কোন কমতি নেই। অর্থাৎ মুসাফির অবস্থায়ও তা পরিপূর্ণ আদায় করতে হবে। সফরের সীমা হচ্ছে ৪৮ মাইল। এখানে মাইল বলতে ইংরেজী মাইল বুঝানো হয়েছে।



মুসাফিরের কছর নামাযের নিয়ত


نَوَيْتُ أَنْ اَقْصُرَا لِلّٰهِ تَعَالٰى  اَرْبَعَ رَكْعَاتِ   صَلٰوَةِ الْظُّهْرِ فَرْضُ اللهِ تَعَالٰى مُتَوَجِّهًا اِلٰى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اَللهُ أَ كْبَرُ.


উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন আক্ছুরা লিল্লাহি তা‘আলা আরবা‘আ রাকা‘আতি সালাতিয যোহর ফারদুল্লাহি তা‘আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা‘বাতিশ শারিফাতি আল্লাহু আকবর।



এইভাবে যোহরের স্থলে আসর হলে আসরি, এশার হলে এশায়ি উল্লেখ করতে হবে।

___________________

গাউছিয়া আজিজিয়া নামায শিক্ষা

রচনায়ঃ মুহাম্মদ আজিজুল হক আল্-কাদেরী (রহ)

সূত্রঃ 🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan


Post a Comment

أحدث أقدم