আল্লাহর তাওফিকক্ৰমে বলছি যে, সফলতা (ফালাহ) দু'প্রকার


প্রথমত : ফালাহ-ই নাকিস (فلاح ناقص)-অসম্পূর্ণ সফলতা) বা অসম্পূর্ণ পরিত্রাণ ও মুক্তি, যা শাস্তি ভোগ করার পর অর্জন হয়। এ প্রকার সফলতা অর্জন করা সম্পর্কে বিশ্বাস করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অপরিহার্য, যা আহলে সুন্নাতের আকীদার অন্তর্ভূক্ত। আর এ প্রকার সফলতা লাভের জন্য প্রচলিত নিয়মে কোন পীরের কছে বায়আত

১. কুশায়রী, আর-রিসালা, অধ্যায় : الوصیة للمریدین, পৃ. ১৮১, মোস্তাফা আলবাবী

২. কুশায়রী, আর-রিসালা, অধ্যায় : الوصیة للمریدین, পৃ. ১৮১, মোস্তাফা আলবাবী

৩. বলগিরামি, সবয়ি সানাবিল । ও মুরিদ হওয়ার উপর নির্ভর নয়। এ জন্য শুধু নবীকে মুরশিদ হিসেবে জানাটাই যথেষ্ট। এমনকি ইসলামের প্রাথমিক যুগে কোন দূরবর্তী পাহাড় বা নাম ঠিকানাহীন জনশূন্য দ্বীপে। বসবাসকারী যার কাছে নবুয়্যতের কোন খবরই পৌঁছেনি আর দুনিয়া হতে শুধু তাওহীদের উপর মৃত্যুবরণ করেছে শেষ পর্যন্ত এ প্রকার লোকের জন্যও এ প্রকার সফলতা (ফালাহ) প্রমাণিত। যেমন সহীহ বোখারী ও সহীহ মুসলিম গ্রন্থদ্বয়ে হযরত আনাস রাদ্বিয়াল্লাহ তা'আলা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ তা'আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন যে, হাশরবাসী অন্যান্য নবী থেকে নিরাশ হয়ে আমার সমীপে উপস্থিত হবে। তখন আমি বলবো আজ আমিই এ শাফাআতের জন্য আদিষ্ট। অতঃপর আমি আমার রবের নিকট (শাফাআতের জন্য) অনুমতি চাইবো। তিনি আমাকে অনুমতি দেবেন। তখনই আমি সাজদায় পড়বো। (এ সাজদা হলো শাফাআতে কুবরার চাবিকাঠি, যা দ্বারা শাফাআতের দরজা খোলা হবে। তখন আল্লাহর পক্ষ হতে এরশাদ হবে-


یَا مُحَمَّدُ ارفَع رَأسَكَ، وَقُل یُسمَع لَكَ، وَسَل تُعطُ، وَاشفَع تُشَفَّعقلية. 


হে হাবীব! মাথা মোবারক উত্তোলন করুন! বলুন, আপনার কথা শ্রবণ করা হবে আর প্রার্থনা করুন, আপনাকে প্রদান করা হবে, এবং শাফাআত করুন, আপনার শাফাআত কবুল করা হবে। অতঃপর আমি আরয করবো, হে আমার রব! আমার উম্মত, আমার উম্মত। (অর্থাৎ আমার উম্মতের ব্যাপারে আমার শাফাআত কবুল করুন!) তখন আল্লাহ বলবেন, যান! যার অন্তরে যব পরিমাণ ঈমান আছে তাকে দোযখ থেকে বের করে নিন। তাদেরকে বের করে আমি পুনরায় (আল্লাহর সমীপে) উপস্থিত হবো, সাজদা করবো। আবার বলা হবে যে, হে হাবীব! শির উঠান, আর বলুন, আপনার কথা শ্রবণ করা হবে। প্রার্থনা করুন, প্রদান করা হবে; শাফাআত করুন, কবুল করা হবে। তখন আমি আরয করবো, হে আমার রব! আমার উম্মত, আমার উম্মত। (অর্থাৎ তাদের হকে আমার শাফাআত কবুল করুন!) তখন এরশাদ করা হবে, যান, যার হৃদয়ে রাই বরাবর ঈমান রয়েছে, তাকে দোযখ হতে বের করে নিন। আমি তাদেরকে বের করে তৃতীয়বার (মহান রবের সমীপে) উপস্থিত হয়ে সাজদা করবো। তখন বলা হবে-হে হাবীব! শির উঠান! আর আপনি যা বলবেন তা গৃহীত হবে, যা প্রার্থনা করবেন প্রদান করা হবে, শাফাআত করুন ,কবুল করা হবে। তখন আমি আরয করবো, হে আমার রব! আমার উম্মত, আমার উম্মত (অর্থাৎ তাদের ব্যাপারে আমার শাফাআত কবুল করুন!) তখন এরশাদ হবে, যার অন্তরে রাইয়ের দানার চেয়ে স্বল্প পরিমাণ ঈমান আছে, তাকে বের করে নিন। আমি তাদেরকে (দোযখ হতে) বের করে চতুর্থ বার (মহান রবের দরবারে হাজির হবো। এবং সাজদায় পতিত হবো। তখন মহান রবের পক্ষ হতে এরশাদ হবে, হে হাবীব! মাথা। উত্তোলন করুন! এবং বলুন, আপনার অভিযোগ শ্রবণ করা হবে; যা চান, তা দেয়া হবে, শাফাআত করুন, তা গৃহীত হবে । তখন আমি আরয করবো, হে মহান রব! আমাকে দোযখ হতে ঐ সব লোককে বের করার অনুমতি প্রদান করুন যারা আপনাকে এক বলে জেনেছে। তখন মহান রবের পক্ষ হতে এরশাদ হবে, এটা আপনার কারণে নয় বরং আমার ইযযত, জালাল ও বড়ত্ব এবং মহত্বের শপথ, আমি প্রত্যেক একত্ববাদীকে সেখান হতে বের করে নেবো।”


আমার মতে, এখানে শেষোক্ত দলের ব্যাপারে হুযূর (ﷺ)র শাফাআত অগ্রাহ্য করা হয়নি বরং এটা কবুল করার নামান্তর। কারণ, হুযূর (ﷺ)-এর আরয করাতেই তো জাহান্নাম থেকে বের করা হবে। এখানে শুধু একটা বলা হয়েছে যে, তাদের রিসালত দ্বারা উসিলা গ্রহণের সু্যোগ হয় নি, বরং নিজ জ্ঞান-বিবেক দ্বারা ঈমানের জন্য যেটুকু যথেষ্ট ছিলো (অর্থাৎ একত্ববাদে বিশ্বাস) সেটুকু বিশ্বাস করতো। হাদীসের অর্থে আমি যে ব্যাখ্যা করেছি, এতে সুস্পষ্ট হলো যে, এটা ওই সহীহ হাদিসের বিপরীত নয়, যাতে বলা হয়েছে,


فَمَا زِلتُ أَتَرَدَّدُ عَلَی رَبِّی ﷻ فَلاَ أَقُومُ مَقَامًا إِلاَّ شُفَّعتُ حَتَّی أَعطَانِی اللّٰهُ ﷻ مِن ذَلِكَ أَن قَالَ یَا مُحَمَّدُ ﷺ أَدخِل مِن أُمَّتِكَ مِن خَلقِ اللّٰهِ ﷻ مَن شَهِدَ أَنَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللّٰهُ یَومًا وَاحِدًا مُخلِصًا وَمَاتَ عَلَی ذَلِكَ. 


‘আমি আমার রবের দরবারে আসা যাওয়ায় থাকবো, যে শাফাআতের জন্য আমি দণ্ডায়মান হবো, তা কবুল করা হবে। এমন কি আমার রব বলবেন যে, সৃষ্টিকুলের মধ্যে তোমার যতো উম্মত আছে, তাদের যে কেউ তাওহীদ বা একত্ববাদের উপর মৃত্যু বরণ করেছে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান।

উক্ত হাদীসে উম্মতের কথাই বলা হয়েছে, তাই হাদীসে বর্ণিত ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ দ্বারা পুরো কলেমাকে বুঝানো হয়েছে। যেমন- ইমাম আহমদ ও ইবনে হিব্বান হযরত আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, হুযূর আকদাস (ﷺ) এরশাদ করেছেন যে,


وَشَفَاعَتِی لَمِن شَهِدَ أَن لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللّٰهُ مُخلِصًا یُصَدَّقُ قَلبُهُ لِسَانَهُ وَلِسَانُهُ قَلبَهُ. 


‘আমার শাফাআত প্রত্যেক ঐ ব্যক্তির জন্য সুনির্দিষ্ট, যে আল্লাহর তাওহীদ


১. বুখারী, আস-সহীহ, کتاب التوحید, অধ্যায় : کَلاَمِ الرَّبِّ عَزَّ وَجَلَّ یَومَ القِیَامَةِ مَعَ الأَنبِیَاءِ وَغَیرِهِم, ২/১১১৮-১৯, কদীমী কুতুবখানা, করাচি

২. মুসলিম, আস-সহীহ, کتاب الإیمان, অধ্যায় : إثبات الشفاعة, ১/১১০, কদমী কুতুবখানা, করাচি

৩٠আহমদ ইবনে হাম্বল, আল-মসনদ, হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর সূত্রে, ৩/১৭৮


(একত্ববাদ) এবং আমার রিসালতের উপর এমন নির্ভেজালভাবে সাক্ষ্য দেয় যে, যার মুখ অন্তরের অনুরূপ আর অন্তর মুখের অনুরূপ হবে।”


হে রব! আপনি সাক্ষী হোন! আর আপনার সাক্ষীই যথেষ্ট যে, আমি আপন অন্তর ও মুখে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন সত্য মাবুদ (উপাস্য) নেই আর মুহাম্মদ (ﷺ) আল্লাহর রাসুল। সকল বাতিল ধর্ম হকে বিমুখ হয়েছি একনিষ্ট ইসলামপন্থী হয়ে আর আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নয়। (আর সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি সমস্ত জাহানের রব।)


দ্বিতীয়ত : ফালাহ-ই কামিল (فلاح کامل) বা পরিপূর্ণ সফলতা হচ্ছে আযাব ভোগ করা ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করা। এটার দু'টি দিক রয়েছে। প্রথমত বাস্তবসম্মত সফলতা (وقوع) এবং দ্বিতীয়ত আশাসূচক সফলতা (امید)। 


এক. বাস্তবসম্মত সফলতা (وقوع) আহলে সুন্নাতের মতে এ প্রকার সফলতা শুধু মহান রবের ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল, তিনি যাকে চান এমন সফলতা (ফালাহ) দান করেন, যদিও সে লক্ষ কবীরা গুনাহে দোষী হোক। আর তিনি চাইলে একটি সগীরাহ গুনাহেও পাকড়াও করতে পারেন, যদিও তার লক্ষ পূন্যকর্ম থাকুক না কেন। এটা হচ্ছে তার ন্যায়পরায়ণতা এবং ওটা হলো তাঁর করুণা ও দয়া ।


১. আহমদ ইবনে হাম্বল, আল-মসনদ, হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুর সূত্রে, ২/৩০৭

২. ইবনে হায়সমী, মাওয়ারিদুয যামান, باب جامع في البعث والشفاعة, পৃ. ৬৪৫, হাদীস : ২৫৯৪

২. যদিও তিনি এমনটি করবেন না। আল্লাহ তা'আলার ইরশাদ হচ্ছে,


وَیَجزِيَ الَّذِینَ أَحسَنُوا بِالحُسنَی. أَلَّذِینَ یَجتَنِبُونَ کَبَٰٸِرَ الإِثمِ وَالفَوَاحِشَ إِلاَّ اُللَّمَمَ ٓ إِنَّ رَبَّكَ وَسِعُ المَغفِرَةِ. 


এবং যারা সৎকর্ম করে তাদেরকে দেন উত্তম পুরস্কার। তারা হচ্ছে ওইসব লোক যারা বিরত থাকে গুরুতর পাপ ও অশ্লীল কাজ হতে, তবে এতটুকু যে গুনাহের নিকটবর্তী হয়ে বিরত থেকেছে । নিশ্চয় তোমাদের রবের ক্ষমা অপরিসীম । -আল-কুরআন, সুরা আন-নাজম ৫৩:৩১-৩২।


আল্লাহ তা'আলা আরও ইরশাদ করেন,


إِن تَجتَنِبُوا کَبَاٸِرَ مَا تُنهَونَ عَنهُ نُکَفِّر عَنکُم سَیِّٸَاتِکُم وَنُدخِلکُم مُّدخَلاً کَرِیمًا. 


যদি তোমরা কবিরা গুনাহ থেকে বিরত থাকো যা থেকে তোমাদেরকে নিষেধ করা হয়েছে, তবে আমি তোমাদের অন্যান্য গুনাহ ক্ষমা করে দেব এবং তােমাদেরকে সম্মানজনক স্থানে দাখিল করব।

—আল-কুরআন, সুরা আন-নিসা ৪:৩১


তিনি আরও ইরশাদ করেন,


فَیَغفِرُ لِمَن یَشَآءُ وَیُعَذِّبُ مَن یَشَآءُ. 


তিনি (আল্লাহ) যাকে চান ক্ষমা করেন, যাকে চান আযাব দেন।

হুযুর আকদাস (ﷺ)-এর শাফাআত দ্বারা কবীরা গুনাহকারী এরূপ সফলতা (ফালাহ) লাভ করবে। নবী করিম (ﷺ) এরশাদ করেছেন যে,


=شَفَاعَتِی لأَهلِ الکَبَاٸِرِ مِن أُمَّتِي. 


‘আমার উম্মতের কবীরা গুনাহকারীর জন্য আমার শাফাআত রয়েছে।

প্রিয় রাসুল (ﷺ) আরো এরশাদ করেছেন যে-


خُیِّرتُ بَینَ الشَّفَاعَةِ وَبَینَ أَن یَدخُلَ نِصفُ أُمَّتِی الجَنَّةَ فَاختَرتُ الشَّفَاعَةَ لأَنَّهَا أَعَمُّ وَأَکَفَی أَتُرَونَهَا لِلمُتَّقِینَ لاَ وَلَکِنَّهَا لِلمُذنِبِینَ الخَطَّاٸِینَ المُتَلَوِّثِینَ. 

إِنَّ الحَسَنَٰتِ یُذهِبنَ السَّیِّٸَاتِ ؑ ذَٰلِكَ ذِکرَیٰ لِلذَّکِرِینَ.


সৎকর্ম অবশ্যই অসৎকর্মকে মিটিয়ে দেয়, এটা উপদেশ; উপদেশগ্রহণকারীর জন্য।

–আল-কুরআন, সুরা আল-হুদ ১১:১১৪ ১. আল-কুরআন, সুরা আল-বাকারা, ২:২৮৪

২. এ হাদীস ইমাম আহমদ, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে হাব্বান, হাকিম ও বায়হাকী হযরত আনাস ইবনে মালিক রাদ্বিয়াল্লাহ তা'আলা আনহু হতে বর্ণনা করেছেন। আর বায়হাকী বলেন, এ হাদীস সহীহ। আর ইমাম তিরমিযী, ইবনে হাব্বান ও হাকিম হযরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ হতে বর্ণনা করেছেন এবং তাবরানী মুআজামুল কবীরে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস হতে আর খাতীব কাআব ইবনে উজরা হতে এবং আবদুল্লাহ ইবনে ওমর হতে বর্ণনা করেছেন। আল্লাহ তাদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হোন।

১. আবু দাউদ, আস-সুনান, کتاب السنة, অধ্যায় : في الشفاعة, ২/২৯৬

২. তিরমিযী, আল-জামি, أبواب صغة القیامة , ২/৬৬

৩. ইবনে মাজাহ, আস-সুনান, أبواب الزهد, অধ্যায় : ذکر الشفاعة, পৃ. ৩২৯ 

৪. আহমদ ইবনে হাম্বল, আল-মসনদ, হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর সূত্রে, ৩/২১৩

৫. বায়হাকী, শুয়াবুল ঈমান, ১/২৮৭, হাদীস : ৩১০ ও ৩১৩

৬. বায়হাকী, আস-সুনান আল-কুবরা, کتاب الجنایات, ৮/১৭০ 

৭. ইবনে হায়সমী, মাওয়ারিদুয যামান, পৃ. ৬৪৫, হাদীস : ২৫৯৬

 ৮. তাবারানী, আল-মু'জাম আল-কবীর, ১১/১৮৯, হাদীস : ১৩৪৫৪


‘মহান রব আমাকে বললেন, আপনাকে এ অধিকার দেয়া হলো যে, চাইলে শাফাআত নিতে পারেন, না হয় আপনার অর্ধেক উম্মতকে আযাব ছাড়াই বেহেশতে প্রবেশ করাতে পারেন। আমি শাফাআতকে গ্রহণ করলাম, কেননা এটা অত্যন্ত ব্যাপক এবং অত্যন্ত যথেষ্ট। তোমরা কি মনে করছ আমার এ শাফাআত শুধুমাত্র মুমিন-মুত্তাকিদের জন্য? না এটা নয় বরং তা (শাফাআত) গুনাহগার-পাপী উম্মতদের জন্য।

আর এ প্রকার সফলতা (ফালাহ) ওই লোকও অর্জন করবে, যার গুনাহকে পূন্যকর্ম দ্বারা পরিবর্তন করা হবে। যেমন, আল্লাহ তা'আলা বলেন-


فَأُولَٰٓٸِكَ یُبَدِّلُ اللّٰهُ سَیِّٸَاتِهِم حَسَنَٰتٍ ؑ وَکَانَ اللّٰهُ غَفُورًا رَّحِیمًا. 

_____________

বায়াত ও খিলাফতের বিধান

মূল :- ইমাম আহমদ রেযা খান বেরেলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি।

অনুবাদ: মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন

 🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan]


Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন