মহিলা পীর হতে পারেনা

 

আউলিয়া কিরাম এ কথার উপর একমত যে, আল্লাহর পথে আহবানকারী পুরুষ হওয়া জরুরি। তাই সলফে সালিহীন থেকে আজ পর্যন্ত কোন মহিলা না পীর-মুরশিদ হয়েছে না লোকদের থেকে বায়আত নিয়েছে। যদিও ওই মহিলা পুন্যবতী, শরীয়তের পাবন্দ ও তরীকতের গুঢ় রহস্য সম্পর্কে জ্ঞাত হোক না কেন।


হুযুর পুর নূর সৈয়্যদে আলম (ﷺ) এরশাদ করেছেন,


لَن یُفلِحَ قَومُُ وَلّّوا أَمرَهُم امرَأَةً. 


‘ওই সম্প্রদায় কখনো সফলকাম হবেনা, যারা কোন মহিলাকে নিজেদের নেতা বানিয়েছে।

আরিফ বিল্লাহ ইমাম আবদুল ওয়াহহাব শা’রানী রাহমাতুল্লাহি আলায়হি মিনু শরীয়াতিল কুরবার কিতাবুল আকযিয়াতে বলেছেন


قَد اجمَعَ أَهلُ الکَشفِ عَلَي اشتِرَاطِ الذَکُورَةِ فِي کُلَّ دَاعٍ إِلَي اللّٰهِ تَعَالَي وَلَم یَبلُغنَا أَنَّ أَحَدًا مِّن نِسَاءِ السَّلفِ الصَّالِحِ تَصدَرَت لِتَربِیَّةِ المُرِیدِینَ أَبَدًا لِنُقصِ النِّسَاءِ فِي الدَّرجَةِ وَإِن وَرَدَ الکَمَالُ فِي بَعضِهِنَّ کَمَریَمَ بِنتِ عِمرَانَ وَاَسِیَةَ امرَأَةَ فِرعَونَ فَذَلِكَ کَمَالُُ بِالنِّسبَةِ لِلتَّقوَي وَالدِّینِ لاَ بِالنِّسبَةِ لِلحُکمِ بَینَ النَّاسِ وَتَسلِیکُهُم فِي مَقَامَاتِ الوِلاَیَةِ ، وَغَایَةُ أَمرِ المَرأَةِ أَن تَکُونَ عَابِدَةً وَزَاهِدَةً کَرَابِعَةِ العَدوِیَّةِ وَاللّٰهُ سُبحَانَهُ وَتَعَالَي أَعلَمُ وَعِلمُهُ جَلَّ مَجدَهُ أَتَمُّ وَأَحکَمُ. فَقَط


১. বুখারী, আস-সহীহ, کتاب الفتن, ২/১০৫২, হাদীস : ৭০৯৯, কদীমী কুতুবখানা, করাচি।

২. তিরমিযি, আল-জামি, أبواب الفتن, ২/৫১, আমিন কোম্পানী, দিল্লি।

৩. নাসায়ী, আস-সুনান, کتاب أداب القضاة, ২/৩০৪, নুর মুহাম্মদ কারখানায়ে তিজারতে কুতুব, করাচি।

৪. আহমদ ইবনে হাম্বল, আল-মসনদ, عن أبي بکرة, ৫/৫১, আল-মাকতাবুল ইসলামিয়া, বৈরুত।


আহলে কাশফ আল্লাহর পুন্যবান্দা, সম্মানিত ওলীগণ এ কথার উপর ঐক্যমত। পোষণ করেছেন যে, আল্লাহর দিকে আহবানকারীর জন্য পুরুষ হওয়া শর্ত। সলফে সালেহীনের কোন মহিলাকে মুরীদ করিয়েছেন মর্মে কোন খবর। আমাদের কাছে পৌছেনি। কারণ, কতেক মর্যাদায় মহিলা অসম্পূর্ণ, যদিও কিছু মহিলার মধ্যে সম্পূর্ণ কামালিয়াত বিদ্যমান ছিলো। যেমন- হযরত মরয়াম ইবনে ‘ইমরান ও ফিরউনের স্ত্রী আসিয়া। তাদের এ কামালিয়াত তাকওয়া ও দ্বীনের বেলায় প্রযোজ্য, লোকদের মাঝে নেতৃত্ব (হুকুমত) করার ক্ষেত্রে নয়। তাদেরকে বেলায়তের মর্যাদায় পরিগণিত করার চুড়ান্ত বিষয় হচ্ছে, তারা যেন। ইবাদতপরায়ণা ও যাহিদাহ হন। যেমন, হযরত রাবিয়া আদবীয়া বসরী ।

আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা সর্বাধিক পরিজ্ঞাত।

১. শা’রানী, আল-মিযান, کتاب الأقضیا, ২/১৮৯, মুস্তফা আলাবাবী।

_____________

বায়াত ও খিলাফতের বিধান

মূল :- ইমাম আহমদ রেযা খান বেরেলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি।

অনুবাদ: মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন

 🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan]

 


 


Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন