মর্যাদা পূর্ণ রুমাল


হযরত সায়্যিদুনা উব্বাদ বিন আবদুস সামাদ (رضي الله عنه) বলেন: আমরা একদিন হযরত সায়্যিদুনা আনাস বিন মালিক (رضي الله عنه) এর ঘরে উপস্থিত হলাম। তাঁর (رضي الله عنه) নির্দেশ পেয়ে তাঁর বাঁদী দস্তরখানা বিছালেন। বললেন: রুমালও নিয়ে আস। সে একটি রুমাল নিয়ে আসল, যেটা ধোয়ার প্রয়োজন ছিল। নির্দেশ দিলেন, এটাকে রুটির তন্দুরে ফেলে দাও। সে প্রজ্জলিত রুটির তন্দুরে তা ফেলে দিল। কিছুক্ষণ পর যখন সেটা আগুন থেকে বের করা হল তখন তা দুধের ন্যায় সাদা ছিল। আমরা অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, এর মধ্যে কি রহস্য আছে? হযরত সায়্যিদুনা আনাস বিন মালিক (رضي الله عنه) বললেন: এটা ঐ রুমাল, যা দ্বারা নবী করীম, রউফুর রহীম, হুযুর পুরনূর (ﷺ) আপন নুরানী চেহারা মোবারক পরিস্কার করতেন, যখন (এটা) ধোয়ার প্রয়োজন হয় তখন আমরা এটাকে এভাবে আগুনে ধুয়ে নিই। কারণ যে বস্তু আম্বিয়ায়ে কিরাম عَلَیۡہِمُ الصَّلٰوةُ وَ السَّلاَم এর মোবারক চেহারায় লাগে, আগুন সেটাকে জ্বালায় না। (আল খাসায়িসুল কুবরা, ২য় খন্ড, ১৩৪ পৃষ্ঠা)আল্লাহ্ তাআলার রহমত তাঁদের উপর বর্ষিত হোক এবং তাঁদেরসাদক্বায় আমাদের ক্ষমা হোক।


প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আরিফে কামিল হযরত সায়্যিদুনা মাওলানা রূমী (رضي الله عنه) “মাসনভী শরীফ” বরকতময় এ ঘটনাটি লেখার পর বলেন:



    আয় দিলে তর ছিনদা আয নারো আযাব,


    বাছুনা দস্তো লবে কুন ইকতিরাব।


    ছো জমাবে রা ছুনা তাশরীফ দাদ,


    জানে আশেকরা রা ছাহা খাওয়াহাদ কাশাদ।



অর্থাৎ- হে ঐ হৃদয় যার মধ্যে জাহান্নামের শাস্তির ভয় রয়েছে, ঐ প্রিয় ঠোঁট ও পবিত্র হাতের সাথে নৈকট্য কেন অর্জন করছ না, যিনি প্রাণহীন বস্তু রুমালকে পর্যন্ত এমন ফযীলত ও সম্মান দান করেছেন, সেটা আগুনে জ্বলছে না। তাহলে যারা তাঁর অতিশয় প্রেমিক, তাদের উপর জাহান্নামের শাস্তি কেনইবা হারাম হবে না।



 আকা কা গাদা হো আয় জাহান্নাম! তু ভী শুনলে!


 উও কেইছে জলে জু কে গোলামে মাদানী হো।

_______________

কিতাব : ফয়যানে সুন্নাত

লেখক : আমীরে আহলে সুন্নাত মাওলানা মুহাম্মদ বিলাল মুহাম্মদ ইলইয়াস আত্তার কাদেরী রযবীয়া (দা.)

সূত্রঃ 🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan


Post a Comment

أحدث أقدم