আরবি ‘কুরবান’ শব্দটি ফারসি বা উর্দুতে ‘কুরবানি’ রূপে পরিচিত ও ব্যবহৃত। যার অর্থ- নৈকট্য। আর ‘কুরবান’ শব্দটি ‘কুরবাতুন’ শব্দমূল থেকে উৎপন্ন। যার শাব্দিক অর্থও নিকটবর্তী হওয়া বা কারো নৈকট্য লাভ করা।
ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায়, ‘কুরবানি’ বলা হয় ঐ মাধ্যমকে, যার দ্বারা আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিনের নৈকট্য অর্জন ও তাঁর ইবাদাতের জন্য পশু জবাই করা হয়। ১
১ - ইমাম রাগিব, আল-মুফরাদাত, ৩/২৮৭।
হাদিস ও ফিকহের কিতাবসমূহে অবশ্যই কুরবানি শব্দের পরিবর্তে ‘উদ্বহিয়্যাহ্’ শব্দটিই ব্যবহার হয়েছে।
অতএব, নির্দিষ্ট পশুকে নির্দিষ্ট দিনে (অর্থাৎ ১০ যুলহাজ্জ থেকে ১২ যুলহাজ্জ) আল্লাহ’র নৈকট্য অর্জন এবং ছাওয়াবের নিয়্যতে নির্দিষ্ট পশু জবাই করা হলো কুরবানি। যা হযরত ইবরাহিম (عليه السلام)-এর সুন্নাত। হুযুর পুরনুর সরকারে দু’আলম (ﷺ)-কেও এ ব্যাপারে বলা হয়েছে যে,
فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ
-“সুতরাং আপনি স্বীয় রবের উদ্দেশ্যে নামায পড়–ন এবং কুরবানি করুন। ২
২ - সূরা আল-কাউছার: ০২।
_________________
কুরবানি (ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও আহকাম)
গ্রন্থনা ও সংকলন:
মুফতি মুহাম্মদ আলমগীর হোসাইন আন-নাজিরী
অধ্যক্ষ, জামি‘আ-এ-‘ইলমে মদীনা, নেত্রকোণা
🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan]
إرسال تعليق