খিলাফত ও সাজ্জাদানশীনী প্রমাণিত হওয়ার জন্য শরীয়তগত ও যুক্তিগত দু'টি পদ্ধতি রয়েছে।
১. সনদে ইত্তেসাল (سند اتصال) (খলীফা বা সাজ্জাদানশীনের সাথে তাঁর উর্ধ্বতন শায়খ বা পীরের যোগসূত্র ঠিক থাকা, মাঝখানে কোন কারণে সনদ বিচ্ছিন্ন না হওয়া)
২. প্রসিদ্ধি (شهرة) সুতরাং উক্ত দু’পদ্ধতির যে কোন একটি দ্বারা কারো খিলাফত ও সাজ্জাদানশীনী হওয়া প্রমাণিত হলে, এ ক্ষেত্রে কারো অস্বীকার ধর্তব্য নয়।
ফতহুল কাদীর, বাহরুর রাই’ক, নাহরুল ফাই’ক, মানহুল গাফফার ও রদ্দুল মুহতার ইত্যাদি গ্রন্থে উল্লেখ আছে যে,
وَطَرِیقُ نَقلِهِ لِذَالِكَ عَن المُجتَهِدِ أَحَدُ أَمرَینَ: إِمَّا أَن یَکُونَ لَهُ سَنَدُ فِیهِ، أَو یَأخُذَ مِن کِتَابٍ مَعرُوفٍ تَدَاوَلَتهُ الأَیدِي نَحوُ کُتُبِ مُحَمَّدِینِ الحَسَنِ، وَنَحوِهَا مِن التَّصَانِیفِ المَشهُورَةِ لِلمُجتَهِدِینَ، لِأَنَّهُ بِمَنزِلَةِ الخَیرِ المُتَوَاتِرِ المَشهُورِ هَکَذَا ذَکَرَ الرَّازِيّ
‘মুজতাহিদ থেকে কোন উক্তি বর্ণনা করার জন্য দু'টি পদ্ধতির যে কোন একটি পদ্ধতির অনুকরণ করতে হবে। তা'হচ্ছে, ১.ঐ উক্তির সনদ এবং ২. ঐ উক্তি কোন প্রসিদ্ধ কিতাব থেকে উদ্ধৃতি করা, যা সর্বজন প্রসিদ্ধ। যেমন, মুহাম্মদ ইবনে হাসান-এর কিতাবসমূহ এবং তাঁর মতো অন্যান্য মুজতাহিদের প্রসিদ্ধ কিতাবসমূহ। কারণ, ঐ গুলো মুতাওয়াতির ও মশহুর হাদীসের সমমর্যাদাসম্পন্ন। ইমাম রাযীও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
ইমামগণের উপরিউক্ত বর্ণনা মতে, আল্লাহর দ্বীন ও শরীয়তের বিধি-বিধান, হালাল-হারামের মাসআলাসমূহ এবং ফতওয়া ও বিচার সম্পর্কীত বিষয়াদিতে এ দু’পদ্ধতি- ‘সনদ’ ও ‘প্রসিদ্ধি’ থেকে যে কোন একটি পাওয়া যাওয়াই যেখানে যথেষ্ট, যার ভিত্তিতে হদ ও কিসাসের বিধান জারী করা হয়, সেখানে খিলাফত ও
১. ইবনে আবেদীন আশ-শামী, রদুল মুহতার,کتاب القضاء, ৪/৩০৬, দারু ইয়াহয়ায়িত তুরাসিল আরবী, বৈরুত।
সাজ্জাদানশীনীর ক্ষেত্রে এ উভয় পদ্ধতিকে যথেষ্ট মনে না করা সরাসরি অবিচার বৈ কিছু নয় ।
১. সনদ'-এর অবস্থা তো এই যে, কোন শ্রোতা যখন কোন হাদীস বা ফিকহর মাসআলা আপন শায়খ (শিক্ষক) থেকে বর্ণনা করে এবং তার বর্ণনায় ‘আমি শুনেছি'-এ প্রকার বচন না থাকলেও ইমাম বোখারীসহ কতেক ইমামগণের মতে, ছাত্র ও শিক্ষকের মধ্যে কখনো শুধু সাক্ষাত হয়েছে মর্মে প্রমাণ পাওয়া যাওয়াটাই তার হাদীস বা মাসআলা গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য যথেষ্ট।
আর ইমাম মুসলিমসহ জমহুর ইমামগণের মতে, শায়খ ও ছাত্রের মধ্যে সাক্ষাতেরও প্রয়োজন নেই বরং উভয়ে একই যুগের হওয়াই এবং সাক্ষাত লাভের সম্ভাবনা বিদ্যমান থাকাই যথেষ্ট। আমাদের হানাফী আলিমগণের কাছে এটাই বিশুদ্ধ অভিমত। তাই, ‘আমি শুনেছি, আমাকে খবর দিয়েছেন, আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন'—এ প্রকার বচনের প্রয়ােজন নেই। এ সনদধারী তার শায়খ থেকে শুনেছেন কিনা মর্মে সাক্ষ্য তলব করাকে আবশ্যক মনে করা ইমামগণের ঐক্যমতে বাতিল।
ইমাম মুসলিম তার সহীহ মুসলিমের মুকাদ্দামায় বলেন-
زَعَمَ القَاٸِلُ الَّذِی افتَتَحنَا الکَلاَمَ عَلَی الحِکَایَةِ عَن قَولِهِ وَالإِخبَارِ عَن سُوءِ رَوِیَّتِهِ أَنَّ کُلَّ إِسنَادٍ لِحَدِیثٍ فِیهِ فُلاَنُ عَن فُلاَنٍ وَقَد أَحَاطَالعِلمُ بِأَنَّهُمَا قَد کَانَ فِی عَصرٍ وَاحِدٍ وَجَاٸِزُ أَن یَکُونَ الحَدِیثُ الَّذِي رَوَی الرَّوِی عَمَّن رَوَی عَنهُ قَد سَمِعَهُ مِنهُ وَشَافَهَهُ بِهِ غَیرَ أَنَّهُ لاَنَعلَمُ لَهُ مِنهُ سَمَاعًا وَلَم نَجِد فِی شَیءٍ مِنَ الرَّوَایَاتِ أَنَّهُمَا التَقَیَا قَطُّ. وَهَذَا القَولُ- یَرحَمُكَ اللّٰهُ- فِی الطَّعنِ فِی الأَسَانِیدِ قَولُ مُختَرَعُ مُستَحدَثُ غَیرُ مَسبُوقٍ صَاحِبُهُ إِلَیهِ وَلاَ مُسَاعِدَ لَهُ مِن أَهلِ العِلمِ عَلَیهِ وَذَلِكَ أَنَّ القَولَ الشَّاٸِعَ المُتَّفَقُ عَلَیهِ بَینَ أَهلِ العِلمِ بِالأَخبَارِ والرَّوَایَاتِ قَدِیمًا وَحَدِیثًا أَنَّ کُلَّ رَجُلٍ ثِقَةٍ رَوَی عَن مِثلِهِ حَدِیثًا وَجَاٸِزُ مُمَکِّنُ لَهُ لِقَاٶُهُ وَالسَّمَاعُ مِنهُ لِکَونِهِمَا جَمِیعًا کَانَا فِی عَصرٍ وَاحِدٍ وَإِن لَم یَأتِ فِی خَیرٍ قَطُّ أَنَّهُمَا اجتَمَعا وَلاَ تَشَافَهَا بِکَلاَمٍ فَالرَّوَایَةُ وَالحُجَّةُ بِهَا لاَزِمَةُ إِلاَّ أَن یَکُونَ هُنَاكَ دَلاَلَةُ بَینَةُ أَنَّ هَذَا الرَّاوِیَ لَم یَلقَ مَن رَوَی عَنهُ إلخ
“যে ব্যক্তির বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আমরা আলোচনা শুরু করেছি এবং যার ধ্যান-ধারণাকে আমরা বাতিল বলে গণ্য করেছি তার অভিমত হচ্ছে-‘যদি সনদের মধ্যে فُلاَنُ عَن فَلاَنٍ (অমুক অমুকের কাছ থেকে), এভাবে উল্লেখ থাকে এবং এ কথা জানা যায় যে, তারা উভয়ই একই যুগের রাবী, একই সময়ের লোক, তাছাড়া হাদিসটি সরাসরি শুনার এবং পরস্পর সাক্ষাৎ হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। কিন্তু সে তার উর্ধ্বতন রাবীব কাছ থেকে শুনেছে বলে আমরা জানতে পারিনি এবং কোন রেওয়ায়তের মধ্যেও আমরা পাইনি যে, তাদের উভয়ের মধ্যে কখনো সাক্ষাৎ ঘটেছে অথবা সামনি-সামনি কোন কথা-বার্তা হয়েছে-তাহলে এক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির মতে এভাবে যতো হাদীস বর্ণিত হবে তা দলিল হিসাবে গ্রহণ করা যাবে না, যে পর্যন্ত প্রমাণ না হবে যে, তারা উভয়ে গোটা জীবনে একবার অথবা একাধিকবার কোন এক জায়গায় একত্রিত হয়েছিল অথবা এর স্বপক্ষে কোন বর্ণনা মওজুদ আছে।' অতঃপর ইমাম মুসলিম বলেন, হাদীসের সনদসমূহকে ক্ষত বিক্ষত করার জন্য এটা এমন একটা মনগড়া অভিমত, যা ইতোপূর্বে কেউ বলেনি। আর হাদীস বিশারদ উলামা কেরামের কেউ এ কথার সমর্থনও করেননি। কেননা, অতীত ও বর্তমান তথা সর্বকালের হাদীস বর্ণনাকারী মুহাদ্দিসদের ঐক্যমত হচ্ছে- প্রত্যেক নির্ভরযোগ্য (সিকা) রাবী যখন কোন নির্ভরযোগ্য রাবী থেকে একটি হাদীস বর্ণনা করে এবং তারা দু'জন একই যুগের লোক হওয়ার দরুন তাদের মধ্যে পরস্পর দেখা-সাক্ষাৎ এবং একজন অন্যজন থেকে কোনা কথা শুনার সম্ভাবনা থাকে, যদিও কোন হাদীস বা খবর দ্বারা কখনো তাদের একত্রিত হওয়ার সঠিক কথা বা পরস্পর সামনা-সামনি বসে আলোচনা করার কথা জানা যায় নি, এমতাবস্থায় আলিমদের মতে এ জাতীয় হাদীস প্রামাণ্য বলে স্বীকৃত হবে এবং তা দলীল হিসেবে গৃহীত হবে। তবে হাঁ, যদি কোন জায়গায় সুস্পষ্টভাবে এ নিদর্শন পাওয়া যায় যে, উক্ত রাবী, যার থেকে যে বর্ণনা করে তার সাথে আদৌ তার সাক্ষাত হয়নি অথবা তার থেকে এ ব্যক্তি কোন কিছু শুনে নি, তখন এ হাদীস দলীল হিসেবে গৃহীত হবে না। কিন্তু যেখানে ব্যাপারটি অস্পষ্ট এবং তাদের উভয়ের মধ্যে দেখা-সাক্ষাৎ ও কথাবার্তা হওয়ার সম্ভাবনা বিদ্যমান সেখানে অধস্তন রাবী তার উর্ধ্বতন রাবীর কাছে হাদিসটি শুনেছে বলে ধরে নেওয়া হবে।”
ইমাম নবভী তার ব্যাখ্যায় বলেন,
وَهَذَا الَّذِی صَارَ إِلَیهِ مُسلِمُ قَد أَنکَرَهُ المُحَقَّقُونَ وَقَالُوا: هَذَا الَّذِي صَارَ إِلَیهِ ضَعِیفُ وَالَّذِي رَدَّهُ هُوَ المُختَارُ الصَّحِیحُ الَّذِي عَلَیهِ أَٸِمَّةِ هَذَا الفَنِّ عَلِيُّ بنُ المَدِینِي وَالبُخَارِي وَغَیرِهِمَا إلخ
উপরিউক্ত অভিমত ইমাম মুসলিমের। প্রকৃত অবস্থা হচ্ছে, মুহাক্কিক ইমামগণ উক্ত অভিমত প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁরা বলেছেন, এটা যয়ীফ (দুবর্ল)। তাই সঠিক অভিমত হচ্ছে, যা আলী ইবনুল মাদানী ও ইমাম বুখারী প্রমুখ ইমামগণ গ্রহণ করেছেন। তা হচ্ছে, অন্তত একবার সাক্ষাৎ ঘটেছে বলে প্রমাণ হতে হবে, কেবল সাক্ষাৎ হবার সম্ভাব্যতাই যথেষ্ট নয়।
ফাতহুল কাদীর বিতর অধ্যায়ে উল্লেখ আছে,
وَمَا نُقِلُ عَن البُخَارِيِّ مِن أَنَّهُ أَعَلَّهُ بِقَولِهِ لاَیُعرَفُ سَمَاعُ بَعضِ هَٶُلاَءِ مِن بَعضٍ فَبِنَاءً عَلَی اشتِرَاطِهِ العِلمَ بِاللُّقِيِّ، وَالصَّحِیحُ الاِکتِفَاءُ بِإِمکَانِ اللُّقِِّ
“ইমাম বোখারী থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি (সাক্ষাতের সম্ভাব্যতাই যথেষ্ট) এ অভিমতকে ‘যয়ীফ (দুর্বল) বলেছেন। তাঁর মতে সাক্ষাৎ হয়েছে মর্মে জ্ঞাত হওয়াই যথেষ্ট। আর সঠিক অভিমত হচ্ছে-সাক্ষাতের সম্ভাব্যতাই যথেষ্ট।
উক্ত গ্রন্থে যাকাত অধ্যায়ে রয়েছে,
قَولِ الجُمهُورِ فِي الاِکتِفَاءِ بِالمُعَاصَرَةِ مَا لَم یُعلَم عَدَمُ اللُّقِيِّ. وَأَمَّا عَلَي مَا شَرَطَهُ البُخَارِيُّ وَابنُ المَدِینِيِّ مِن العِلمِ بِاجتِمَاعِهِمَا وَلَو مَرَّةً وَالحَقُّ خِلاَفُهُ.
১. মুসলিম, আস-সহীহ, مقدمة الکتاب, ১/২১-২২, কদীমী কুতুবখানা, করাচি
২. নববী, শরহুন ননবী আলা মুসলিম, مقدمة الکتاب, ১/২১, কদীমী কুতুবখানা, করাচি
৩. ইবনে হুমাম, ফতহুল কদীর,باب الوتر٫ کتاب الصلاة, ১/৩৭০, মকতবায়ে নুরিয়া রেজভিয়া।
অধিকাংশের অভিমত হচ্ছে, (মুনআনআন হাদীসের ক্ষেত্রে বারীগণ) একই যুগের হওয়াই যথেষ্ট, যদিও সাক্ষাত লাভ হয়েছে কিনা মর্মে জানা না যায়। কিন্তু ইমাম বোখারী ও আলী ইবনুল মাদানী ‘সমসাময়িক ও সাক্ষাৎ ঘটা' যদিও অত্যন্ত একবার হওয়াকে শর্তারোপ করেছেন। কিন্তু প্রকৃত অবস্থা হচ্ছে তার বিপরীত (অর্থাৎ সমসাময়িক হওয়াই সাক্ষাৎ ঘটার। সম্ভাব্যতার জন্য যথেষ্ট। তাই সাক্ষাৎ হয়েছে মর্মে নিশ্চিত জ্ঞাত হওয়ার প্রয়োজন নেই)।
খিলাফত ও সাজ্জাদানশীনী তো আছেই। স্বয়ং হুযূর পুর নুর সায়্যিদুল আলম সাল্লাল্লাহু তা'আলা আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী হওয়ার ব্যাপারে মুহাক্কিক আলিমগণ বলেন, নির্ভরযোগ্য (ثقة) ও ন্যায়পরায়ণ (عادل) ব্যক্তি যদি নিজের সম্পর্কে বললো, আমি মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহচর্যের সৌভাগ্য অর্জন করেছি'—এটা বলাটা তাঁর সাহাবী হওয়ার জন্য যথেষ্ট। যদিও অন্য কোন পদ্ধতিতে তাঁর সাহাবী হওয়ার প্রমাণ কোনভাবেই প্রমাণিত না হয়।
ইমাম ইবনে হাজর আসকালানী আল-ইসাবাহ ফী তামীযীস্ সাহাব গ্রন্থে বলেন,
َافَصلُرالثَّانِيُّ فِي الطَّرِیقِ إِلَي مَعرَفَةٍ کَونِ الشَّخصِ صَحَابِیَّا وَذَلِكَ بِأَشیَاءٍ أَوَّلُهَا أَن یَّشبُتَ بِطَرِیقِ التَّوَاتُرِ أَنَّهُ صَحَابِیُّ، ثُمَّ بِالإِستِفَاضَةِ وَالشُّهرَةِ ثُمَّ بِأَن یَّروِي عَن أَحَدٍ مَّن الصَّحَابَةِ أَنَّ فُلاَنًا لَهُ صُحبَةُ مَثَلاً وَکَذَا عَن أَحَدِ التَّابِعِینَ بِنَاءً عَلَي قُبُولِ التَّزکِیَةِ مِن وَاحِدٍ وَهُوَ الرَّاجِحُ، ثُمَّ بِأَن یَّقُولَ هُوَ إِذَا کَانَ ثَابِتُ العَدَالَةِ وَالمُعَاصَرَةِ أَنَا صَحَابِيُّ.
দ্বিতীয় অধ্যায় হচ্ছে, কোন ব্যক্তি হুযূর (ﷺ)র সাহাবী হওয়ার পরিচিতির পদ্ধতির বর্ণনায়। আর তার কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে। তা'হচ্ছে- তাওয়াতুর পদ্ধতিতে প্রমাণিত যে, তিনি একজন সাহাবী । অতঃপর ইসতিফাযাহ্ (الاستفاضة) ও প্রসিদ্ধির ভিত্তিতে, কোন সাহাবী কর্তৃক বর্ণিত আছে যে, অমুক হুযূরের সাহচর্য লাভ করেছেন। অনুরূপভাবে কোন একজন তাবিঈ থেকেও বর্ণিত থাকলে তা কবুল করা হবে। অতঃপর কারো আদিল ও সমসাময়িক হওয়া প্রমাণিত
_____________
বায়াত ও খিলাফতের বিধান
মূল :- ইমাম আহমদ রেযা খান বেরেলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
অনুবাদ: মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন
🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan]
إرسال تعليق