# ব্যাখ্যাসহ
❏ দরসে হাদীসঃ 【হাদীস নং- (৪৯)】
○ অধ্যায়ঃ 【কবীরা গুনাহসমূহ ও মুনাফিক্বীর আলামতসমূহ】
[ﻭﻋﻦ ﺃﺑﻲ ﻫﺮﻳﺮﺓ ﻗﺎﻝ ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﷺ ﺍﻳﺔ ﺍﻟﻤﻨﺎﻓﻖ ﺛﻠﺚ . ﺯﺍﺩ ﻣﺴﻠﻢ ﻭﺇﻥ ﺻﺎﻡ ﻭﺻﻠﻰ ﻭﺯﻋﻢ ﺃﻧﻪ ﻣﺴﻠﻢ ﺛﻢ ﺍﺗﻔﻘﺎ ﺇﺫﺍ ﺣﺪﺙ ﻛﺬﺏ ﻭﺇﺫﺍ ﻭﻋﺪ ﺃﺧﻠﻒ ﻭﺍﺫﺍ ﺍﺅﺗﻤﻦ ﺧﺎﻥ .]
হযরত আবু হােরায়রা [ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ] হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ [ﷺ] এরশাদ করেছেন- "মুনাফিক্বের আলামত তিনটি। (টীকাঃ ১)
ইমাম মুসলিম [ﺭﺣﻤﻪ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ] এ হাদীসকে বর্ধিত আকারে বর্ণনা করেছেন- “যদিও রােযা রাখে, নামায পড়ে এবং নিজেকে মুসলমান বলে মনে করে।”
অতঃপর মুসলিম ও বােখারী ঐকমত্যের ভিত্তিতে বর্ণনা করেছেন- “যখন কথা বলে (তখন) মিথ্যা বলে, ওয়াদা করলে ভঙ্গ করে এবং আমানত রাখা হলে খিয়ানত করে।” (টীকাঃ ২)
□ উক্ত হাদীস শরীফের ব্যাখায় বলা হয়েছেঃ
১. 【মুনাফিক্বের আলামত তিনটি।】
◇ টীকাঃ ১ ‘মুনাফিক্ব’ মানে ই'তিক্বাদী (বিশ্বাসগত) মুনাফিক্ব।
অর্থাৎ অন্তরের দিক দিয়ে কাফির এবং মুখে মুসলমান। এ দোষগুলাে তাদের আলামত; কিন্তু আলামতের সাথে আলামতধারী থাকা জরুরি নয়। কাকের চিহ্ন ‘কালাে হওয়া’; কিন্তু প্রতিটি কালাে জিনিস কাক নয়।
অর্থাৎ এ আলামতগুলাে মুনাফিক্ব'র। সুতরাং যাদের মধ্যে এ আলামতগুলাে পাওয়া যাবে তাদের প্রত্যেককে মুনাফিক্ব বলা যাবে না। মৌলিক ঈমান তার মধ্যে থাকলে এ সব আলামতরূপী দোষগুলাের কারণে গুনাহ্গার হবে মাত্র। সুতরাং বাতিল আক্বীদাসম্পন্ন ব্যক্তির মধ্যে এসব আলামতের সমন্বয় ঘটলে সে-ই প্রকৃত মুনাফিক্ব।
২. 【যখন কথা বলে (তখন) মিথ্যা বলে, ওয়াদা করলে ভঙ্গ করে এবং আমানত রাখা হলে খিয়ানত করে।】
◇ টীকাঃ ২. অর্থাৎ এগুলাে মুনাফিক্বদের কাজ। মুসলমানকে এগুলাে থেকে বেঁচে থাকতে হবে। এটা নয় যে, এ অপরাধগুলাে স্বয়ং নিফাক্ব। হযরত ইয়ূসুফ [ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺴﻼﻡ]'র ভাইয়েরা এ তিন অপরাধই করেছিলেন। কিন্তু তাঁরা মুনাফিক্ব সাব্যস্ত হননি কাফিরও নন। সুতরাং হাদীসের উপর কোন আপত্তি নেই।।
□ হাদীস শরীফের ব্যাখ্যা সম্বলিত টীকা পেতে সার্চ করুনঃ
f/Ishq-E-Mustafa ﷺ
【সূত্রঃ মিরআতুল মানাজীহ শরহে মিশকাতুল মাসাবীহ, কৃত- মুফতী আহমদ ইয়ার খান নঈমী আশরাফী বদায়ূনী, বঙ্গানুবাদঃ মাওলানা আব্দুল মান্নান, ১ম খন্ড, পৃ. ৬৯, হাদীস নং-৪৯ এবং টীকাঃ ২৪ এবং ২৫ দ্রব্যষ্ট, প্রকাশনায়ঃ ইমাম আহমদ রেযা রিসার্চ একাডেমী, চট্টগ্রাম।
🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan]
إرسال تعليق