❏ দরসে হাদীসঃ [হাদীস নং- (৮৬৫]
○ অধ্যায়ঃ [নবী করিম [ﷺ]-এর উপর দুরুদ শরীফ পাঠ ও দুরুদ শরীফের ফযীলত]
হযরত আবূ হুরাইরা [ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ] হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
রাসূলাল্লাহ [ﷺ] এরশাদ করেছেনঃ
[ﻭﻋﻦ ﺍﺑﻰ ﻫﺮﻳﺮﺓ ﻗﺎﻝ ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﷺ ﻣﺎ ﻣﻦ ﺍﺣﺪ ﻳﺴﻠﻢ ﻋﻠﻰ ﺍﻻ ﺭﺩ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻰ ﺭﻭﺣﻰ ﺣﺘﻰ ﺍﺭﺩ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺴﻼﻡ ] -. ( ﺭﻭﺍﻩ ﺃﺑﻮ ﺩﺍﻭﺩ ﻭﺍﻟﺒﻴﻬﻘﻰ ﻓﻰ ﺍﻟﺪﻋﻮﺍﺕ ﺍﻟﻜﺒﻴﺮ )
অর্থাৎ "আমার প্রতি (যখনই) কোন ব্যক্তি সালাম পৌঁছায়, তখনই আল্লাহ্ আমাকে আমার রুহ ফিরিয়ে দেন, যাতে আমি তাঁর জবাব দিই।" (টীকাঃ ১)
[আবূ দাউদ, বায়হাক্বী-দা'ওয়াতুল কবির]
□ উক্ত হাদীস শরীফের ব্যাখায় বলা হয়েছেঃ
___
◇ টীকাঃ ১.
এখানে 'রুহ' মানে মনোনিবেশ করা ( ﺗﻮﺟﻪ )। ওই 'রুহ' দ্বারা ওই প্রাণ বুঝানো উদ্দেশ্য নয়, যার মাধ্যমে জীবন প্রতিষ্ঠিত থাকে। হুযূর আল্লাহর অনুগ্রহক্রমে স্থায়ী জীবনে জীবিত রয়েছেন।
এ হাদীসের এ অর্থ নয় যে, 'আমি এমনভাবে প্রাণহীন থাকি যে, কেউ দুরুদ পড়লে জীবিত হয়ে জবাব দিতে থাকে।' অন্যথায় প্রতিটি মুহূর্তে হুযূরের উপর লক্ষ-কোটি বার দুরুদ পাঠ করা হয়ে থাকে, তখন তো এটা অপরিহার্য হবে যে, প্রতিটি মুহূর্তে লক্ষবার তাঁর রুহ বের হয় আর প্রবেশ করতে থাকে।
স্মর্তব্য যে, হুযূর এক মুহূর্তে অগণিত দুরুদ শরীফ পাঠকের প্রতি সমানভাবে মনোনিবেশ করেন, সকলের সালামের উত্তরও প্রদান করেন; যেমনঃ সূর্য একই সময় সমগ্র বিশ্বের প্রতি ফিরে থাকে; অনুরুপ, নবূয়ত-আকাশের সূর্য একই সময়ে সকলের দুরুদ ও সালাম শুনেও থাকেন, জবাবও প্রদান করেন। কিন্তু এতে তাঁর কোন প্রকারের কষ্ট অনুভূত হয় না। এমন হবেও না কেন? তিনি তো মহান আল্লাহর পবিত্র সত্তার প্রকাশস্থল। মহান রব একই সময়ে সকলের দো'আ-প্রার্থনা শুনেন।
● পবিত্র হাদীস শরীফ এর ব্যাখ্যা সম্বলিত টীকা পেতে সার্চ করুনঃ
f/Ishq-E-Mustafa ﷺ
[সূত্রঃ মিরআতুল মানাজীহ শরহে মিশকাতুল মাসাবীহ, কৃত- মুফতী আহমদ ইয়ার খান নঈমী আশরাফী বদায়ূনী, বঙ্গানুবাদঃ মাওলানা আব্দুল মান্নান, ২য় খন্ড, পৃ. (১০৮-১০৯), হাদীস নং-৮৬৫ এর টীকাঃ ১৬ দ্রব্যষ্ট, প্রকাশনায়ঃ ইমাম আহমদ রেযা রিসার্চ একাডেমী, চট্টগ্রাম।]
🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan]
إرسال تعليق