কবরে ইবনে তুলুনের অবস্থা


প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আহমদ ইবনে তুলুন সীমাহীন জ্ঞানী, ন্যায় বিচারক, সাহসী, নম্র, চরিত্রবান, শিক্ষানুরাগী ও দানশীল বাদশাহ ছিলেন। তিনি হাফিযে কুরআন ছিলেন ও অত্যন্ত সুমধুর কণ্ঠে তিলাওয়াত করতেন কিন্তু প্রথম পর্যায়ের অত্যাচারীও ছিলেন। তাঁর তলোয়ার খুনাখুনি করার জন্য সর্বদা খাপের বাইরে থাকত। কথিত আছে, তিনি যাদেরকে হত্যা করেছেন ও যারা তার কাছে বন্দীবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে তাদের সংখ্যা ছিল আঠার হাজারের কাছাকাছি। তাঁর ইন্তিকালের পর এক ব্যক্তি প্রতিদিন তাঁর কবরে তিলাওয়াত করতেন। একদিন বাদশাহ আহমদ ইবনে তুলুন তার স্বপ্নে এসে বললেন:“আমার কবরের পাশে কুরআন তিলাওয়াত করো না।”সে জিজ্ঞাসা করল,“কেন? ”ইবনে তুলুন জবাব দিলেন, “যখনই কোন আয়াত আমার বিষয়ে আসে তখন আমার মাথায় আঘাত করে জিজ্ঞাসা করা হয়,“তুই কি এ আয়াত শুনিসনি?(হায়াতুল হাইওয়ানুল কুবরা, ১ম খন্ড, ৪৬০ পৃষ্ঠা)।


হায়! হায়! হায়! অত্যাচারের পরিণতি কি ভয়ানক! শাসক শ্রেণীর ব্যক্তিদের অত্যাচার ও নিপীড়ন থেকে বেঁচে থাকা খুবই কষ্টকর। সুতরাং সরকারী ও মন্ত্রীত্বের আকর্ষণীয় পদ ইত্যাদি থেকে বিশেষতঃ বর্তমান যুগে দূরে থাকাতেই নিরাপত্তা রয়েছে।এটাও জানা গেল, হাফিযে কুরআনের উচিত কুরআনে পাকে বিধি-বিধানের উপর আমলও করা। আল্লাহ্ তাআলা আমাদেরকে ও কবরের আযাবে আক্রান্ত গুনাহগার মুসলমানদের এবং সকল উম্মতকে ক্ষমা করুন।

_______________

কিতাব : ফয়যানে সুন্নাত

লেখক : আমীরে আহলে সুন্নাত মাওলানা মুহাম্মদ বিলাল মুহাম্মদ ইলইয়াস আত্তার কাদেরী রযবীয়া (দা.)

সূত্রঃ 🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan


Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন