'নিফাক্ব' খতম হয়ে গেছে। এখন হয়তো ইসলাম, নতুবা কুফর


❏ দরসে হাদীসঃ 【হাদীস নং- (৫৬)】


○ অধ্যায়ঃ 【কবীরা গুনাহসমূহ ও মুনাফিক্বীর আলামতসমূহ】


【 ﻭﻋﻦ ﺣﺬﻳﻔﺔ ﻗﺎﻝ ﺇﻧﻤﺎ ﺍﻟﻨﻔﺎﻕ ﻛﺎﻥ ﻋﻠﻰ ﻋﻬﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﷺ ﻓﺎﻣﺎ ﺍﻟﻴﻮﻡ ﻓﺎﻧﻤﺎ ﻫﻮ ﺍﻟﻜﻔﺮ ﻭﺍﻹﻳﻤﺎﻥ - ‏( ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﺒﺨﺎﺭﻱ )】


হযরত হুযায়্ফা [ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ] হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ (টীকাঃ ১)


❝নিফাক্ব (কপটতা) হুযূর [ﷺ]’র যামানায় ছিলাে, কিন্তু বর্তমানে হয়তাে কুফর নতুবা ঈমান -এ দু'টিই রয়েছে।❞ (টীকাঃ ২)


【বােখারী শরীফ】


□ উক্ত হাদীস শরীফের ব্যাখায় বলা হয়েছেঃ



                                   


১. 【হযরত হুযায়্ফা [ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ] হতে বর্ণিত,】


◇ টীকাঃ ১. তাঁর পবিত্র নাম হুযায়ফা। উপনাম আবূ আবদুল্লাহ্ ‘আবাসী। তাঁর পিতা হাসীল। তাঁর পিতার উপাধী ‘ইয়ামান।' তিনি হুযূর [ﷺ]’র গােপন রহস্যাদির ধারক ছিলেন। হিজরি ২৫ সনে হযরত ওসমান গনী [ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ]'র শাহাদাতের চল্লিশ দিন পর মাদা-ইনে তিনি ইন্তিকাল করেন। সেখানেই তাঁর মাযার শরীফ অবস্থিত।


২. 【নিফাক্ব (কপটতা) হুযূর [ﷺ]’র যামানায় ছিলাে, কিন্তু বর্তমানে হয়তাে কুফর নতুবা ঈমান -এ দু'টিই রয়েছে।】


◇ টীকাঃ ২. অর্থাৎ হুযূর [ﷺ]’র যামানায় সাময়িক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে মুনাফিক্বদেরকে হত্যা করা হয়নি। যদিও তাদের কাছ থেকে কুফরির আলামতসমূহ প্রকাশ পেয়েছিল, যাতে কাফিররা আমাদের গৃহযুদ্ধ থেকে সুযােগ নিতে না পারে। ওই যামানায় তিন প্রকারের মানুষ গণ্য হতো। কাফির, মু'মিন ও মুনাফিক্ব। হুযূর [ﷺ]’র পরে ‘নিফাক্ব’ বলতে কিছুই অবশিষ্ট নেই। হয়তাে কুফর নতুবা ইসলাম। যদি কারাে কাছ থেকে কুফরের আলামত দেখা যায়, তাকে হত্যা করা যাবে, অপ্রকাশ্য কাফিরকেও। কেননা, সে মুরতাদ্দ।


[লুম'আত ও মিরক্বাত ইত্যাদি।]


【সূত্রঃ মিরআতুল মানাজীহ শরহে মিশকাতুল মাসাবীহ, কৃত- মুফতী আহমদ ইয়ার খান নঈমী আশরাফী বদায়ূনী, বঙ্গানুবাদঃ মাওলানা আব্দুল মান্নান, ১ম খন্ড, পৃ. ৭৬, হাদীস নং-৫৬ এবং টীকাঃ ৬৩ এবং ৬৪ দ্রব্যষ্ট, প্রকাশনায়ঃ ইমাম আহমদ রেযা রিসার্চ একাডেমী, চট্টগ্রাম।]

 🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan]


Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন