ক্ষুধার্ত শিক্ষার্থীদের ফরিয়াদ


প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস হযরত সায়্যিদুনা ইমাম তাবারানী, হযরত সায়্যিদুনা আল্লামা ইবনুল মুকরী ও হযরত সায়্যিদুনা আবুশ শায়খ رَحِمَہُمُ اللهُ تَعَالٰی এরা তিনজন মদীনায়ে মুনাওয়ারায় ইলমে দ্বীন অর্জন করতেন। এক সময় তাঁদের ক্ষুধার্ত দিন কাটছিল। রোযার পর রোযা রাখতে থাকেন। তবুও যখন প্রচন্ড ক্ষুধায় একেবারে ক্লান্ত হয়ে গেলেন তখন তাঁরা তিনজন প্রিয় আক্বা, উভয় জাহানের দাতা, রাসুলুল্লাহ্ (ﷺ) এর নূরানী রওযায় উপস্থিত হয়ে ফরিয়াদ জানালেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (ﷺ) “আল জু” আক্বা! ক্ষুধা! এরূপ আরয করে সায়্যিদুনা ইমাম তাবারানী (رحمة الله) তখন আস্তানা মোবারকেই বসে রইলেন আর বললেন: এ দরজায় হয়তো মৃত্যু আসবে, নয়তো রিযিক। এখান থেকে এখন আর উঠবনা।


            মাই উনকে দরপর পড়া রহোগা,


            পড়েহী রেহনে ছে কাম হোগা।


            নিগাহে রহমত জরুর হোগী,


            তোআম কা ইনতিযাম হোগা।


       


হযরত সায়্যিদুনা ইবনুল মুকরী ও হযরত সায়্যিদুনা আবু শায়খ رَحِمَہُمُ اللهُ تَعَالٰی নিজেদের স্থানে চলে আসলেন। কিছুক্ষণ পর কেউ দরজায় আঘাত করলেন। দরজা খুলে দেখতে পেলেন, একজন আলাভী বুযুর্গ দুই জন গোলামসহ খাবার নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন আর বলছেন যে, আপনারা রাসুলে পাক (ﷺ) এর নিকট ক্ষুধার অভিযোগ করেছেন, তাই এ মাত্র স্বপ্নে ছরকারে নামদার, মদীনার তাজেদার, রহমতের ভান্ডার, রাসুলদের সরদার (ﷺ) নিজের সাক্ষাৎদানে ধন্য করে আমাকে নির্দেশ দিলেন, আমি যেন আপনাদের নিকট খাবার পৌঁছে দেই। সুতরাং যা কিছু সুযোগমত আমারপক্ষে সম্ভব হয়েছে, তা নিয়ে এসেছি, আপনারা সাদরে গ্রহণ করুন। (তাযকিরাতুল হুফ্ফায়, ৩য় খন্ড, ১২১ পৃষ্ঠা)


আল্লাহ্ তাআলার রহমত তাঁদের উপর বর্ষিত হোক এবং তাঁদের সদকায় আমাদের ক্ষমা হোক।



    হার তারাপ মদীনে মে ভীড় হে ফকীরো কি,


    এক দে-নে ওয়ালা হে কুল জাহা সুআলী হায়।

_______________

কিতাব : ফয়যানে সুন্নাত

লেখক : আমীরে আহলে সুন্নাত মাওলানা মুহাম্মদ বিলাল মুহাম্মদ ইলইয়াস আত্তার কাদেরী রযবীয়া (দা.)

সূত্রঃ 🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan


Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন